বুধবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
গোয়াইনঘাটে ইউআরসির ৩লক্ষ ৯৪হাজার টাকা আত্মসাৎ’র পায়তারা..! সমালোচনার ঝড় অস্তিত্ব সংকটে গোয়াইনঘাট ছাত্রলীগ! অনুপ্রবেশকারী ও বিবাহিতদের দখলে ৩ নং পূর্ব জাফলং ছাত্রলীগ : ত্যাগী কর্মীরা পদ বঞ্চিত প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ করলেন জাফলংয়ের সুমন ডৌবাড়ী ইউনিয়ন প্রবাসী কল্যাণ ট্রাস্টের কমিটি গঠন”সভাপতি এনামুল’সম্পাদক আরিফ গোয়াইনঘাট ভূয়া সাংবাদিক তানজিল র প্রতারনা অনিশ্চিত দিন যাপন #মেহেরুন নেছা সুমি ডৌবাড়ী প্রাথমিক বিদ্যালয় সীমানা প্রাচীর নিয়ে দ্বন্ধের নিষ্পত্তি নিজ প্রতিষ্ঠানের সামনে সমাহিত মুফতি আব্দুর রহমান ক্বাসীমির লাশ”শোকে কাতর গোয়াইনঘাট মুফতি আব্দুর রহমান ক্বাসীমির ইন্তেকাল, বিভিন্ন মহলে শোক পাথররাজ্য পরিদর্শনে মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো: কামাল হোসেন পানি পানের উপকারিতা” ডা.লোকমান হেকিম। লেঙ্গুড়া ইউপি নির্বাচনে নতুন চমক যুবনেতা আব্দুল মন্নান দুজনই সব বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সাহিত্য ও সংস্কৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন এইচএসসি না অটো পাশ- সুমাইয়া আক্তার চলে যাওয়া মেহেরুন নেছা সুমি দয়ামীর ইউনিয়ন নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী সাঈদ আহমদ বর্ষাতে তোমাকে দেখি #মেহেরুন নেছা সুম পদ্ম দিঘি -মেহেরুন নেছা সুমি গোয়াইনঘাটে যুবকের উপর দুর্বৃত্তের হামলা” থানায় অভিযোগ দায়ের গোয়াইনঘাট প্রবাসী টাস্ট র কমিটি গঠন”সভাপতি বিলাল সম্পাদক লুৎফুর স্হানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতিকে হবে- সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম Ntv ইউরোপের গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি র নিয়োগ পেলেন কে,এ,রাহাত সকাল….. মেহেরুন নেছা সুমি গোয়াইনঘাটে একাধিক মামলার পলাতক আসামী জহির পুলিশের হাতে আটক জৈন্তিয়া ১৭ পরগনা সালিশ সমন্বয় কমিটির সাথে ইমা-লেগুনা মালিক সমিতির মতবিনিময় সভা গোয়াইনঘাট অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক নাসির উদ্দিনের মৃত্যু”বিভিন্ন মহলের শোক ডায়াবেটিস থেকে দাঁতের রোগ ফলমূল চাষ করে স্বাবলম্বী শারীরিক প্রতিবন্ধী গোয়াইনঘাট র দিদারুল আলম
পুণ্য হল শতবর্ষ

পুণ্য হল শতবর্ষ

প্রতিদিন ডেক্স::

আজ ১৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস। মুক্তিযুদ্ধের এই মহানায়ক ১৯২০ সালের এই দিনে ফরিদপুর জেলার তৎকালীন গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। শিশুকালে ‘খোকা’ নামে পরিচিত সেই শিশুটি পরবর্তী সময়ে হয়ে ওঠেন নির্যাতিত-নিপীড়িত বাঙালি জাতির মুক্তির দিশারি। গভীর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, আত্মত্যাগ ও জনগণের প্রতি অসাধারণ মমত্ববোধের কারণেই পরিণত বয়সে হয়ে ওঠেন বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা। হাজার বছরে শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকীকে সামনে রেখে আজ থেকে শুরু হচ্ছে মুজিববর্ষ। বছরব্যাপী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতি স্মরণ করবে বাঙালির মহানায়ককে। যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উদ্যাপন করবে জাতি। দিনটিতে সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মুজিববর্ষ উদযাপনে সাড়ম্বর আয়োজনের প্রস্তুতি থাকলেও নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে জনসমাগম না ঘটিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বছরব্যাপী আয়োজনের উদ্বোধন হবে। আজ সীমিত আয়োজনের এই অনুষ্ঠানে বাবাকে নিয়ে শেখ রেহানার লেখা কবিতা আবৃত্তি করবেন বড় বোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা; শেখ রেহানা কণ্ঠ দেবেন মুজিববর্ষের ‘থিম সং’ এ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ উদযাপন বাস্তবায়ন জাতীয় কমিটির সমন্বয়ক কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে পরিবর্তিত কর্মসূচি তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে মুবিজবর্ষের মূল আয়োজন বাতিল হওয়ার পর মঙ্গলবারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সাজানো হয়েছে কোনো ধরনের জনসমাগমের ব্যবস্থা না রেখে। বঙ্গবন্ধুর জন্মক্ষণের সঙ্গে মিল রেখে রাত ৮টায় এ অনুষ্ঠানের শুরু হবে। সেই অনুষ্ঠান দেখা যাবে টেলিভিশনে। কামাল নাসের বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আতশবাজির প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে ‘মুক্তির মহানায়ক’ শিরোনামে এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হবে। এরপর রেকর্ড করা সব অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে টেলিভিশনে। দুই ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের পর রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেবেন। এরপর থাকবে শত শিশুর কণ্ঠে গান। এরপর প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেবেন জাতির উদ্দেশে। এরপর বঙ্গবন্ধুর ছোট মেয়ে শেখ রেহানা ব্যক্ত করবেন তার অনুভূতি। শেখ রেহানার লেখা কবিতা আবৃত্তি করবেন শেখ হাসিনা, তাতে থাকবে বাবাহারা কন্যার আকুতি। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যে ‘থিম সং’ করা হয়েছে, সেটি গেয়ে শোনাবেন শিল্পীরা। শেখ রেহানাও সেখানে কণ্ঠ দিয়েছেন বলে জানান কামাল নাসের।

১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর বাবার নাম শেখ লুৎফর রহমান। মায়ের নাম সায়েরা খাতুন। তাদের চার মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে শেখ মুজিব ছিলেন তৃতীয়। বাবা-মা তাকে আদর করে ডাকতেন খোকা বলে। সেই ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন প্রতিবাদী। অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করতেন না। স্কুল থেকেই তিনি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। গ্রামের স্কুলে তার লেখাপড়ার হাতেখড়ি। ১৯২৭ সালে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ১৯২৯ সালে গোপালগঞ্জ পাবলিক স্কুলে ভর্তি হন এবং এখানেই ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। ১৯৩৭ সালে গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হন। ১৯৪১ সালে অসুস্থ শরীর নিয়েই ম্যাট্রিক পরীক্ষা দেন। পড়াশোনার থেকে রাজনীতি বেশি করেছেন। ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বঙ্গবন্ধু ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকিটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ এসেম্বলীর সদস্য নির্বাচিত হন। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেওয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬-দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা আন্দোলন এবং ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যূত্থানসহ প্রতিটি গণতান্ত্রিক ও স্বাধিকার আন্দোলনে তিনি নেতৃত্ব দেন এবং বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেন। তাঁর সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাঙালি জাতি ধাপে ধাপে স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে থাকে। ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বাঙালি জাতির ওপর নানা নির্যাতন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন। অন্যদিকে ২৫ মার্চ মধ্যরাতে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তাঁর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙ্গালীর বহু আকাঙ্খিত বিজয় ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়। যুদ্ধ বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু যখন বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে শুরু করেন ঠিক সেই মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি ও কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল তাঁর বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি তাঁর ধানমন্ডির বাসভবনে কতিপয় বিপথগামী কিছু সেনা কর্মকর্তার হাতে তিনি পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ শাহাদাৎবরণ করেন।





© All rights reserved © 2019 Gowainghatprotidin
পোর্টাল বাস্তবায়নে : বিডি আইটি ফ্যাক্টরী লিঃ